প্রীতির অকাল মৃত্যু
মরিয়ম আশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৫ সালের বেইসের সবচেয়ে সুন্দরী ও মেধাবী ছাত্রী প্রীতি আর নেই। কথাটা শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। জীবনের সবকটি কঠিন পরীক্ষা পার হয়ে প্রকৌশলী হয়ে কিছুদিন আগে বিয়ের পিড়িতে বসেছিল এই মেয়েটি। সকল বন্ধুদের মুখে একটাই নাম ছিল প্রীতি। কে জানে এ প্রীতি একদিন হঠাৎ করে চলে গিয়ে সবকিছু অপ্রীতিকর করে দেবে। বাঙলাদেশের নিরাপত্তাহীনতার জন্য আজ চলে যেত হল তাকে। ট্রেনে বসলে সবাই জানালার পাশে বসবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা যদি মরণ ফাদ হয়। তাহলে সবকিছু অন্ধকার। এসএসসি পরীক্ষার পর স্কুলের পূর্নমিলনীতে সবার সাথে সবার দেখা। আমি চাকুরীর কারনে সেটাও মিস করলাম। আজ মনে হচ্ছে আসলে সে অনুষ্টানে যাওয়া উচিত ছিল। তাহলে প্রীতিকে জীবিত দেখতে পেতাম। আজ আর সে সুযোগ নেই। প্রীতি সবাইকে কাদিয়ে চলে গেল। বিষয়টি ভাবতে নিজের মধ্যে কেমন যেন লাগে। প্রথম শুনে কিছুক্ষনের জন্য নীরব হয়ে গেছিলাম। সত্যি খুব কষ্ট লাগছে। জীবনের এতগুলো পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করে আজ মৃত্যু কাছে অকালে হার মানল। স্কুল জীবনের বন্ধু বলে এখনো সবার খবর রাখার চেষ্টা করি। তবে জীবিকার তাগিদে সব সময় সম্ভব হয়ে উঠে না। যাহোক প্রীতির এ মৃত্যু কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। যারা এ কাজটি করেছে তাদের শত ধিক্কার জানায়। আর যাতে কেউ প্রীতির মত প্রাণ না হারায় সে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করছি। একটু সচেতন হলে সব সম্ভব। আর প্রীতির জন্য সবাই দোয়া করি।